![]()
ভোলা: চরফ্যাসনের সদ্য যোগদাকৃত ইউএনওর পরিচিতি সভায় চরফ্যাসন প্রেসক্লাবের কর্মরত সাংবাদিকদের হলুদ সাংবাদিক ও চাঁদাবাজ আখ্যা দিয়ে বক্তব্য দেন বিএনপির সাবেক বহিস্কৃত সাধারন সম্পাদক মোতাহার হোসেন আলমগীর মালতিয়া। তার এমন বক্তব্যের প্রতিবাদ করে কারন জানতে চেয়ে তাকে চিঠি দেয়া এবং ওই চিঠি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোষ্ট করায় গত ২৮ এপ্রিল তিনি বাদী হয়ে বরিশাল সাইবার ক্রাইম ট্রাইব্যুনালে ৭ সাংবাদিকসহ বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী মনজুর হোসেনকে আসামী করে মামলাটি দায়ের করেন। বিজ্ঞ আদালত মামলা রেকর্ডভুক্ত করে আদালতে প্রেরনের জন্য নির্দেশ দেন। গতকাল মঙ্গলবার বিয়ষটি জানাজানি হলে সাংবাদিক মহলে তোলপাড় শুরু হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিন্দার ঝড় শুরু হয় সাংবাদিকসহ সুশিল সমাজের।
আসামীরা হলেন, চরফ্যাসন প্রেসক্লাবের সভাপতি ও বাংলাদেশের আলো পত্রিকার প্রতিনিধি জুলফিকার মাহামুদ নিয়াজ, সাধারন সম্পাদক ও ইনকিলাব পত্রিকার প্রতিনিধি কামাল গোলদার, নির্বাহী সদস্য ও আগামীর সময় পত্রিকার প্রতিনিধি আবু সিদ্দিক ঢ়ারী, প্রেসক্লাবের সদস্য ও যায়যায়দিন পত্রিকার প্রতিনিধি আমিনুল ইসলাম, প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ও দৈনিক সংবাদের প্রতিনিধি জামাল মোল্লা, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ও দৈনিক বাংলা পত্রিকার প্রতিনিধি সাইফুল ইসলাম মুকুল, চরফ্যাসন প্রেসক্লাবের যুগ্মসাধারন সম্পাদক ও দৈনিক সমকাল পত্রিকার প্রতিনিধি নোমান সিকদার,উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী মনজুর হোসেন।
জানাযায়, বিএনপির বহিস্কৃত সাবেক সাধারন সম্পাদক মোতাহার হোসেন আলমগীর মালতিয়া ইউএনওর পরিচিতি সভায় চরফ্যাসন প্রেসক্লাবের কর্মরত সাংবাদিকদের হলুদ সাংবাদিক ও চাঁদাবাজ আখ্যা দিয়ে বক্তব্য দেন ওই বক্তব্যের একটি ভিডিও ক্লীপ তিনি সামাজিক যোগযোগ মাধ্যমে পোষ্ট করেন। তার এসব কুটুক্তির করে বক্তব্য দেয়ার কারন চেয়ে ২০ এপ্রিল চরফ্যাসন প্রেসক্লাবের সভাপতি জুলফিকার মুহাম্মদ নিয়াজ স্বাক্ষরিত চিঠিতে তার কাছে কারন জানাতে চাওয়া হয়। তিনি ওই চিঠির কোন ব্যখ্যা না দেয়ায় গত ২১ এপ্রিল চরফ্যাসন থানায় একটি সাধারন ডায়েরি করেন। এতে ক্ষিপ্ত বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক মোতাহার হোসেন আলমগীর মালতিয়া আক্রোশ হয়ে সাংবাদিকেদের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন।
এদিকে নিজের অপরাধ আড়াল করতে মিথ্য ও হয়রানী মূলক মামলা দিয়ে সংবাদিকদের কন্ঠরোধ করার অপচেষ্টয় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন চরফ্যাসন কর্মকরত সাংবাদিক। দ্রুত সময়ময়ে মধ্যে তার দায়ের করা মিথ্যা মামলাটি প্রত্যাহার না করা হলে কঠোর কর্মসূচির হুশিয়ারীদেন সাংবাদিকরা।
চরফ্যাসন থানার ওসি মাহামুদ আল ফরিদ জানান, মামলাটি আদালতে থেকে রেকর্ডভুক্ত করার জন্য নির্শেদ দেয়া হয়েছে। মামলাপি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এন/ আর








পাঠকের মন্তব্য