সংরক্ষিত নারী আসন ভোলায় জনগণের আস্থা-খালেদা খানমে, উন্নযনে অবদান রাখতে প্রস্তুত

 ভোলায় জনগণের  আস্থা-খালেদা খানমে, উন্নযনে অবদান রাখতে প্রস্তুত
ভোলায় জনগণের আস্থা-খালেদা খানমে, উন্নযনে অবদান রাখতে প্রস্তুত

 ভোলায় জনগণের  আস্থা-খালেদা খানমে, উন্নযনে অবদান রাখতে প্রস্তুত

ভোলা: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংরক্ষিত নারী আসনে প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ে সারাদেশের মতো দ্বীপজেলা ভোলার রাজনীতির অঙ্গনে আলোচনা চলছে। যোগ্যতা, জনসেবার সামর্থ ও মাঠ পর্যায়ের কর্মী- সমর্থকদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে এমন প্রার্থীকেই সংসদে চান নারী নেতৃবৃন্দ। আর এ আলোচনায় অনেকটা এগিয়ে রয়েছেন শিক্ষাবিদ, বিএনপির ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেত্রী অধ্যক্ষ খালেদা খানম। দলীয় মনোনয়ন পত্র দাখিলও করেছেন।
ওয়ান ইলেভেনে পুরো পরিবারে বিরুদ্ধ মামলা, হয়রানী ও নির্যাতন আর বিগত আওয়ামী সরকারের দুঃশাসনের সময় মাঠে থেকে মহিলা দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। সংগঠিত করে রেখেছেন তৃণমূলের মহিলা দলকে। তিনি জেলা মহিলা দলের সিনিয়র সহসভাপতি ও বোরহানউদ্দিন উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি সহ দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালণ করছেন।

এদিকে সংরক্ষিত আসনের এমপি হতে বিএনপি দলীয় মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেছেন ভোলার আরও অনেকে। এদের মধ্যে জেলা মহিলা দলের সভাপতি এডভোকেট শাজেদা আখতার, বোরহানউদ্দিন উপজেলা মহিলা দলের  সেক্রেটারী ইশরাত জাহান বনি ও আইনজীবী  নুরজাহান বেগম বিউটি আলোচনায় আছেন।

দেশের একমাত্র দ্বীপজেলা ভোলা। ভৌগলিক কারনেই এখানকার নরীরা অনেকটা পিছিয়ে। পিছিয়ে এ নারীদের শিক্ষা, নারীর অধিকার, সমতা, ন্যায্যতা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে যে কজন কাজ করছেন তাদের মধ্যে অধ্যক্ষ খালেদা খানম অন্যতম। তিন দশকের বেশি সময়ের শিক্ষকতার জীবনে নারী শিক্ষায় অবদান রেখেছেন। পাশাপাশি জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির হয়ে আন্দোলণ সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছেন সামনে থেকে। যে কারণে ভোলার প্রান্তিক পর্যায়ে  তার শক্ত অবস্থান ও গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে।
খালেদা খানম ১৯৬০ সালে ভোলার বোরহানউদ্দিনের কুড়ালিয়া গ্রামের সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। বাবার সরকারি চাকুরীর সুবাদে রাজধানী ঢাকায় পড়াশোনা শেষে আবার ফিরে আসেন জন্মভূমি ভোলায়।  বিএনপি নেতা ফজলুর রহমান বাচ্চু মোল্লার সাথে দাম্পত্ত জীবন শুরু করেন। বেছে নেন শিক্ষকতা পেশা। ভোলা শহরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নামে প্রতিষ্ঠিত ” শহীদ জিয়া আদর্শ গার্সল স্কুল এন্ড কলেজ” এর অধ্যক্ষ পদে প্রায় তিন দশক সুনামের সহিত দায়িত্ব পালন করেন এবং ২০১৯ সালে অবসরে যান। তার বড় ভাই ভোলা-০২:আসনের সংসদ সদস্য হাফিজ ইব্রাহিম। তাদেন পরিবারের সাথে শহীদ জিয়া পরিবারের দীর্ঘ বছরের ঘনিস্টতা রয়েছে। অবসরে আসার পর বিএনপির রাজনীতি ও সামাজিক কাজের মধ্যদিয়েই সময কাটাচ্ছেন এই নারী নেত্রী।
খালেদা খানম এর আগে জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান, বেসরকারি কারা পরিদর্শক, ক্রীড়া সংস্থার গুরুত্ব পদে দায়িত্ব পালন করছেন।  বর্তমানেও তিনি একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সভাপতি, রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি, লেডিস ক্লাবসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে যুক্ত থেকে সামাজিক সাংস্কৃতিক উন্নয়নে কাজ করছেন। তিনি জিয়া শিশু কিশোর সংগঠনের জেলা সভাপতি হিসাবে শিশুদের মনন বিকাশে কাজ করছেন।

মনোনয়নের বিষয় খালেদা খানম বলেন, তার রাজনৈতিক জীবনের শুরু করেছিলেন ছাত্র জীবন থেকেই। শিক্ষাজীবনে বিভিন্ন সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করে তিনি নেতৃত্বের দক্ষতা অর্জন করেন। ছোটবেলা থেকেই রাজনীতিতে সক্রিয় থাকা এবং বিভিন্ন সংগঠনে নেতৃত্ব দানের মাধ্যমে দক্ষতা অর্জনকে এবার এমপি হয়েও কাজে লাগাতে চান তিনি।

তিনি আরো বলেন,“ছাত্রজীবন থেকেই নেতৃত্ব, দায়িত্ববোধ এবং মানুষের জন্য কাজ করার অনুপ্রেরণা তার। বিশেষ করে নারী সমাজের উন্নয়ন, শিক্ষা ও সমঅধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে চান। দল যদি মনোনয়ন দেয়, তাহলে বিগত দিনের মতো সেই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের করবেন।” আজীবন বিএনপি ও জিয়া পরিবারের সাথে নিবিড়ভাবে জড়িয়ে থাকায় মনোনয়নের বিষয় আশাবাদী তিনি।

এন/ আর

সর্বশেষ আপডেট: ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১৯:২০
নিজস্ব প্রতিবেদক

পাঠকের মন্তব্য

সর্বশেষ আপডেট


বিনোদন