ভোলা: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে চরফ্যাসন প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সম্পাদকসহ সংগঠনটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ নানা ভাবে আপত্তিকর ও বিরূপ মন্তব্য করার অভিযোগে প্রেসক্লাবের দুই সাধারণ সদস্য মিজানুর রহমান নয়ন ও এ.আর. সোহেব চৌধুরীকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হয়েছে। গত ২৯ জুন কার্যনির্বাহী কমিটির জরুরী সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে
জানা যায়, ওই দুই সংবাদিক সাংবাদিকতার আড়ালে নানা অপরাধমূলক কার্যলকাপে জড়িত থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চরফ্যাসন প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সম্পাদকসহ সংগঠনটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ নানা ভাবে আপত্তিকর ও বিরূপ মন্তব্য কওে আসছিলেন। বিষয়টি সভাপতি ও সম্পাদকসহ কর্যনির্বাহী কমিটির দৃষ্টি গোচর হলে তাদেরকে গত ৩ জুন কার্যনির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দুই সদস্যকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়। নোটিশের জবাবে ৯ জুন ইত্তেফাক সংবাদদাতা মিজানুর রহমান নয়ন লিখিত ব্যাখ্যা দাখিল করলেও তার জাবাব সন্তোস জনক ছিলোনা। আর ভোরের কাগজ প্রতিনিধি এ.আর. সোহেব চৌধুরী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো লিখিত জবাব দেননি।
গত ২৯ জুন অনুষ্ঠিত কার্যনির্বাহী কমিটির জরুরী সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত পৃথক পত্রের মাধ্যমে সংশিষ্ট দুই সদস্যকে বহিস্কারের বিষয় আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করা হয়। বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর হয়েছে।
প্রেসক্লাবের সভাপতি জুলফিকার মাহমুদ নিয়াজ ও সাধারণ সম্পাদক কামাল গোলদার জানান, গত ৩০ মে মিজানুর রহমান নয়ন তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে চরফ্যাসন প্রেসক্লাব ও এর সদস্যদের নিয়ে একটি বিতর্কিত ও সম্মানহানিকর পোস্ট প্রকাশ করেন। পরে এ.আর. সোহেব চৌধুরী ওই পোস্টটি নিজের প্রোফাইলে শেয়ার সমর্থনসূচক মন্তব্য করেন। এছাড়া, তারা বিভিন্ন সময়ে প্রেসক্লাব ও এর সদস্যদের নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন পোস্ট দিয়ে সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করেছেন বলে কার্যনির্বাহী কমিটির পর্যবেক্ষণে দৃষ্টিগোচর হয়েছে। তাই
গত ৩ জুন কার্যনির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দুই সদস্যকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া। নোটিশের জবাবে ৯ জুন মিজানুর রহমান নয়ন একটি অসেন্তাসজনক লিখিত ব্যাখ্যা দাখিল করলেও এ.আর. সোহেব চৌধুরী নির্ধারিত সময়ে মধ্যে কোনো লিখিত জবাব দেননি।
পরবর্তীতে ২৯ জুন অনুষ্ঠিত জরুরী সভায় মিজানুর রহমান নয়নের লিখিত ব্যাখ্যা পর্যালোচনা করে কার্যনির্বাহী কমিটি তা অসন্তোষজনক বলে অভিমত দেয়। একই সঙ্গে নোটিশের কোনো জবাব না দেয়ায় এ.আর. সোহেব চৌধুরীর বিরুদ্ধেও সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রেসক্লাবের গঠনতন্ত্রের প্রযোজ্য বিধান অনুযায়ী দুইজনকে সাধারন সদস্যপদ স্থায়ীভাবে বাতিল করে তাদের বহিষ্কার করা হয়েছে।
প্রসংঙ্গে, প্রেসক্লাবের সুযোগ-সুবিধা ভোগ, দায়িত্ব পালন কিংবা কোনো কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলে মিজানুর রহমান নয়ন ও এ.আর. সোহেব চৌধুরী কোনো মন্তব্য করতে অপারগতা প্রকাশ করেন








পাঠকের মন্তব্য