![]()
ভোলা: চরফ্যাসনের শশীভূষণে প্রবাসীর স্ত্রী বখাটে যুবকের কু-প্রস্তাবে সাড়া না দেয়া দু’দফায় বাড়ি ঘরে হামলা মারধরের পর অ্যাসিড নিক্ষের হুমকির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় হেলাল উদ্দিন নামের এক বখাটে যুবকের বিরুদ্ধে। এতেই থেমে থাকেননি ওই বখাটে যুবক হেলাল উদ্দিন। ওই প্রবাসীর স্ত্রী মারধরের শিকার হয়ে চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফেরার পর তার তিন শিশু পুত্রসহ তাকে বাড়িতে অবরুদ্ধ করে রাখেন। তিনি বিষয়টি স্থানীয়গণ্যমান্যদের অবগত করে কোন সুরাহ না পেয়ে গত ২৯ এপ্রিল শশীভূষণ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেন। কিন্তু থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে পুলিশ কোন আইনি ব্যবস্থা না নেয়ায় তিনি শিশু পুত্র নিয়ে আরো বিপাকে পরেছেন ভুক্তভোগী প্রবাসীর স্ত্রী।
গত ২৭ও ২৮ এপ্রিল শশীভূষণ থানার রসুলপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের প্রবাসীর স্ত্রীর বসত বাড়িতে ঢুকে দুু’দফায় হামলা ও মারধরের ঘটনা ঘটে। গতকাল শুক্রবার চরফ্যাসন প্রেসক্লাবে লিখিত আবেদনে এমন অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী প্রবাসীর স্ত্রী রুবিনা ও তার স্বামী টিপু খান।
প্রবাসীর স্ত্রী রুবিনা অভিযোগ করেন, তার স্বামী একজন প্রবাসী। তার দীর্ঘদিন ঢাকায় অবস্থান করার পর তার স্বামী প্রবাস থেকে দেশে ফিরে এলে তিনি স্বামী সন্তানসহ শশীভূষণ থানার রসুলপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের জমি কিনে বসত বাড়ি নির্মান করে ভোগদখলে আছেন। ওই গ্রামে বাড়ি নির্মানের পরপরই তার সঙ্গে পরিচয় হয় প্রতিবেশী যুবক হেলাল উদ্দিনের সাথে। হেলাল প্রায় সময় নানা অজুহাতে তার বাড়িতে আসাযাওয়া করতো।
তিনি কিছু বুঝে উঠার আগেই বখাটে যুবক হেলাল উদ্দিন তাকে নানা ভাবে কুপ্রস্তাব দেয়া শুরু করেন। এবং তার মোবাইল নাম্বর সংগ্রহ করে তাকে রাত দিনে বিরক্ত করা শুরু করেন। তিনি একাাধিক বার তাকে বিরক্ত করতে নিষেধ করেও কোন প্রতিকার না পেয়ে আমি বিষয়টি স্বামীকে জানাই। গত ২৭ এপ্রিল আমার স্বামী তাকে ডেকে আমাকে বিরক্ত করতে নিষেধ করলেও সে আরো ক্ষিপ্ত হয়ে আমার বিরুদ্ধে নানা ধরনের কুৎসা রটানো শুরু করে। কুৎসা রটানো ও আমাকে কু-প্রস্তাব দেয়ার বিয়টি আমি তার স্ত্রী নুপুর ও শ্বশুর সাদেক মাঝিকে জানাই। এতে হেলাল উদ্দিন আরো ক্ষিপ্ত হয়ে তারা দলবব্ধ হয়ে আমার বাড়িতে এসে আমার ওপর হামলা চালিয়ে গুরুতর জখম করে এবং আমাকে উদ্ধারে আমার স্বামী এগিয়ে গেয়ে ওই চক্র আমার স্বামীকে ইট দিয়ে হাত থেতেলে দেয়। এতে আমার স্বামীও গুরুতর আহত হন। ওইদিন খবর পেয়ে স্বজনরা আমাকে ও আমার স্বামীকে উদ্ধার করে চরফ্যাসন হাসপাতালে ভর্তি করেন।
তিনি আরো অভিযোগ করেন, ওইদিন চিকিৎসা শেষে আমরা বাড়ি ফিরে এলে হেলাল উদ্দিনসহ তার দলবলরা আমাদের বাড়িতে অবরুদ্ধ করে রাখেন। এবং প্রকাশ্য অ্যাসিড নিক্ষেপের হুমকি দেন। এবং আমার স্বামী বাড়ি থেকে বের হলে তাকে হত্যা করা হবে বলে সাফ জানিয়ে দেন। তাদের অব্যহত হুমকিতে লেখা পড়া বন্ধ হয়ে গেছে তার তিন শিশু পুত্রের। পাশাপাশি ১২ দিন অবরুদ্ধ অবস্থায় নিজ বাড়িতে অবরুদ্ধ আছেন তিনি এবং তার পরিবারের সদস্যরা। দ্রুত সময়ের মধ্যে বখাটে যুবক হেলাল উদ্দিনকে আইনে আওয়া এনে শাস্তির দাবী জানান তিনি।অভিযুক্ত হেলাল উদ্দিন এবিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করতে রাজি হননি তবে তিনি বলেন এটা আমার এলাকার বিষয় এলাকাই বুঝে নিবো কি হবে। এখানে আপানাদের কোন কাজ নাই।
শশীভূশন থানার ওসি ফিরোজ আহম্মেদ জানান, ওই গৃহবধুর একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি । অভিযোগটি খতিয়ে দেখে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।








পাঠকের মন্তব্য