![]()
গত ২৬ তারিখে আর টিভি অনলাইন ভার্সনসহ রুপালী বাংলাদেশ ও সময়ের কন্ঠম্বর অনলাইন নিউজ পোর্টালে মৎস্য কর্মকর্তার নিলাম দূর্ণীতি শিরোনামে যে সংবাদ প্রকাশিত হয় তা আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সংবাদে নিলামের নামে কয়েক লাখ টাকা লুটপাটের কথা উলেখ্য করা হয়েছে যার সংবাদের তথ্য উপাত্তের সাথে অফিসের নথি পত্রের কোন মিল নাই।সংবাদের ভূল তথ্য উপস্থাপন করে সংবাদটি প্রকাশ করা হয়েছে যা আদৌ সত্য নয়।
মুলতঃ ২০২৫ সনে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন সময়ে আকার বেদে প্রায় ২৭ টি ছোট জেলে ট্রলার আটকের পর জব্দ তালিকা প্রস্তুত করে নিলাম প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। এসব জব্দকৃত জেলে ট্রলারগুলো উম্মক্ত নিলামে তুলে জেলে এবং স্থানীয় ঘাটের জেলেদের কাছে বিক্রি করা হয়েছে। এবং জেলে ট্রলার নিলামের ১ লাখ ৫১ হাজার ৩০০টাকা সরকারী কোষাগারে জমা ও জেলা মৎস্য কর্মকর্তাকে চিঠি আকারে পাঠানো হয়েছে। এখানে নিলামের নামে অর্থ আত্মসাতের কোন বিষয় সঠিক নয়।
২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা চলাকানী সময়ে মৎস্যঘাট কেন্দ্রীক কিছু দালালের আবির্ভাব হয়। ওইসব দালাল চক্র ইলিশ রক্ষার অভিযানের কর্মকর্তাদের কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা নিতে না পেয়ে আমাকেসহ আমার দপ্তরের কর্মকর্তাদের হেয় করার জন্য উদেশ্য প্রনোনিত হয়ে সাংবাদিকদের ভুল তথ্য দিয়ে উদ্ভট তথ্যহীন একটি সংবাদ প্রকাশ করানো হয়। যার সঙ্গে নিলাম প্রক্রিয়ার নথী পত্রের কোন মিল নেই। আমি এমন অস্থিত্বহীন তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করে আমার মানক্ষুন্ন করার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
জয়ন্ত কুমার অপু
সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা
চরফ্যাসন, ভোলা।








পাঠকের মন্তব্য