![]()
ভোলা: চরফ্যাশনে জামায়াতের জিন্নাগড় ৫নম্বর ওয়ার্ডের সেক্রেটারী আনোয়ার হোসেনের ঔষাধের দোকান ঘর পুড়িয়ে দেয়ার অভিযোগ উঠছে উপজেলা ছাত্রদল নেতা রায়হান ও তার বাবা বশির হাওলাদারের বিরুদ্ধে। বুধবার রাতে জিন্নাগড় ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মজুমদার চৌমুহনীতে এঘটনা ঘটে।এঅগ্নিকান্ডে দোকান মালিক আনোয়ার হোসেনের প্রায় ৫ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানাগেছে। এঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জামায়াত নেতা আনোয়ার হোসেন জানিয়েছেন।
আনোয়ার হোসেন জানান, প্রায় ৩৩ বছর আগে তিনি এবং তার পরিবারের সদস্যরা স্থানীয় নগেন্দ্র কুমার দাসের কাছ থেকে জমি খরিদ করে বসত বাড়ি ও দোকান ঘর নির্মান মার্কেট নির্মান করে দখল বিদ্যমান আছেন। এবং একটি দোকানে তিনি নিজেই একটি ঔষাধের দোকান দিয়ে জীবন জীবিকা চালিয়ে আসছেন। ২০২১ সনে প্রতিবেশী বিএনপি নেতা বশির হাওলাদার ও ছাত্রদল নেতা রায়হান তাদের খরিদা ভোগদখলীয় জমি তাদের মালিকানাদাবী করে উচ্ছেদের হুমকি দিয়ে ভূয়া কাগজ পত্র দিয়ে আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলা আদালতে চলমান রয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তারা নানা ভাবে হয়রানী করতে থাকেন। দীর্ঘ ১৫ মাস তার দোকানের প্রায় ৫ লক্ষ টাকার মালামালসহ তার দোকান ঘর বন্ধ করে দেন।
সম্প্রতি সময়ে স্থানীয় গন্যমান্যরা একাধিকবার শালিশ সমোঝতা করে তাদের পক্ষে রোয়াদাদ দিলেও প্রতিপক্ষ বশির হাওলাদার ও তার ছেলে রায়হান শালিস দেয়া রায় উপেক্ষা করে তাদের দোকান ঘর বন্ধ করে রাখেন। নির্বাচনের পর বিএনপি ক্ষমতায় এলে আগুন দিয়ে দোকান ঘর পুড়িয়ে দেয়া হবে বলে হুমকি ধামকি দিয়ে আসছিলেন। যেমন হুমকি তেমনি ঘটনা ঘটালেন ওই ছাত্রদল নেতা বুধবার রাতে দোকানের পিছন দিয়ে তার দোকানে ভিতরে আগুন ধরিয়ে দেন। স্থানীয় দোকানী ও প্রতিবেশীদের মাধ্যমে খবর পেয়ে তার ছুটে দিয়ে দোকান খুলে মালামাল রক্ষা করার আগেই সব পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এতে তাদের প্রায় ৫ লক্ষ টাকার ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে।
ছাত্রদল নেতা রায়হান জানান, তাদের সাথে আমাদের জমি নিয়ে বিরোধ চলমান রয়েছে। আমাদেরকে ফাঁসানো জন্য নিজেদের বন্ধ দোকানে আগুন দিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।
চরফ্যাশন থানার ওসি জাহাঙ্গীর বাদশা জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে এখনও কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি অভিযোগ পেয়ে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।








পাঠকের মন্তব্য