![]()
ভোলা: চরফ্যাসনে রাতের আঁধারে ঘরে ঢুকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে গহনা ও টাকা লুটের ঘটনার চার দিন অতিবাহিত হলেও মামল নেয়নি পুলিশ। ঘটনার চার দিন পর শুক্রবার রাতে ওই ভিক্টিম ওই গৃহবধু বাদী হয়ে ৩ জনকে আসামী করে চরফ্যাসন থানায় লিখিত এজাহার দেন। শনিবার সকালে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেও সকাল গড়িয়ে বিকালে হলেও অদৃশ্য শক্তির বলয়ে মামলা নেয়নি পুলিশ। এতে থানায় এজাহার দাখিল করায় আসামীদের অব্যহত হুমকি ধামকিতে নিরাপত্তাহীনতা পড়ে শিশু সন্তানদের নিয়ে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন গৃহববধু। যদিও পুলিশের দাবী তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে মামলার কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। তবে কবে নাগাত মামলাটি নেয়া হবে সেই উত্তর পুলিশের কাছে নেই। মঙ্গলবার রাতে আবদুল্লাহপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে ভিক্টিম গৃহবধুর বসত ঘরে এঘটনা ঘটে।
ভিক্টিম ও এজাহার সুত্রে জানানযায়, ভিক্টিম নারীর স্বামী চট্রগ্রামে কর্মস্থালে থাকেন। তিনি ৪ শিশু সন্তান নিয়ে একাই বাড়িতে থাকেন। গত মঙ্গলবার তিনি বাড়ি সংলগ্ন স্থানে জমি কেনার টাকা দেয়ার জন্য ৪ লাখ টাকা ব্যাংক থেকে তুলে নিয়ে ঘরে রাখেন। বুধবার সকালে ওই টাকা জমি মালিককে দেয়ার কথা ছিলো। মঙ্গলবার রাতে খাবার খেয়ে তিন সন্তান নিয়ে ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন। ভুলবসত তার সিঁড়ির চিলে কোঠার গেইট খোলা ছিলো। গভীর রাতে তিনি ঘরের মধ্যে কাউকে হাটার শব্দ পেয়ে সজাগ হয়ে যান। এসময় দেখতে পান ওই গ্রামের মৃত আবদুল কাদের মাঝি ছেলে প্রতিবেশী নুর করিম, রাশিদ বেপারীর ছেলে নাজমুল ও খালেক মাঝির ছেলে হানিফ আবদুল তার ঘরে ঢুকে হাটাচলা করছেন। তিনি চিৎকার দিলে নুর করিমসহ তিনজন তার মুখ চেপে ধরে তাকে অবরুদ্ধ করে ফেলেন।
এসময় তার বড় সন্তান সজাগ হয়ে গেলে তাকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে । তার ঘরের থাকা জমি কেনার গচ্ছিত টাকা ও গহনা লুটে নেন। পরে চার সন্তানকে ঘরের অন্য একটি কক্ষে অবরুদ্ধ করে তারা তিনজন মিলে তাকে দলবদ্ধধর্ষণ করে ঘর থেকে বেড়িয়ে যান। পরে তিনি সন্তানদের তিনি আবদ্ধ কক্ষ থেকে উদ্ধর করে ডাক চিৎকার দেন । এবং তার স্বামীসহ স্বজনদেরকে বিষয়টি মুঠোফোনে জানান। পরে সকালে তারা এসে তার উদ্ধার চরফ্যাসন চরফ্যাসন হাসাপাতালে ভর্তি করেন।
ভিক্টিম গৃৃহবধু জানান, তিনি হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে মামলা দিতে থানায় দিয়ে ঘুরলেও কোন সুরাহ পাইনি। সমকালসহ একাধিক গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে পরে স্থানীয় সংবাদ কর্মীদের সহযোগিতায় শুক্রবার রাতে থানায় একটি লিখিত এজাহার দেই। শনিবার সকালে চরফ্যাসন থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেও মামলা নিতে বিলম্ভ করছে। এতে থানায় এজাহার দাখিল করে আসামীদের হুমকিতে বিপাকে পরেছেন তিনি। চার শিশু সন্তান নিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন তিনি।
থানায় এহাজার দাখিলের খবর শুনে অভিযুক্ত নুর করিমসহ অপর অভিযুক্তরা গা-ঢাকা দেয়ায় তাদের বক্তব্য জানা জায়নি।
চরফ্যাসন থানার ওসি জাহাঙ্গীর বাদশা জানান,ভিক্টিম নারী একটি রিখিত এজাহার পেয়েছি বিয়টি তদন্ত চলমান রয়েছে। পরিবর্তীতে মামলা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।








পাঠকের মন্তব্য