![]()
ভোলা: চরফ্যাসনের সৎ মা ও বোনকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে আমানুর রহমান সুজন নামের এক মেডিসিন ব্যবসায়ী ছেলের বিরুদ্ধে। তিনি এবং তার স্ত্রী সুমা আক্তারের বিরুদ্ধে। ২০২৪ সনে তার বাবার মৃত্যুর পর জাল দলিল করে তাদের বাবার ওয়ারিশি জমি হাতিয়ে নিয়ে একাধিক বার হামালা মামলা ও মারধরের শিকার হয়েছেন সৎ মা আঞ্জুরা বেগমসহ তার কলেজ পড়ুয়া তিন মেয়ে। বৃহস্পতিবার পূর্ব বিরোধকে কেন্দ্র করে উঠান ঝাড়ু দেয়ার নিয়ে অজুহাতে তার সৎমাকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে মাথা ফাঁটিয়ে গুরুতর জখম করেন। মাকে উদ্ধার তার নার্স পড়ুয়া মেয়ে শিল্পি আক্তার ও কলেজ পড়ুয়া মেয়ে শিরিনা হামালার কবল থেকে মাকে উদ্ধারে এগিয়ে গেলে তাদেরেকে মারধররের পর পুকুরের পানিতে চুবিয়ে হত্যার চেষ্টার করেন। অভিযুক্ত সুজন এওয়াজপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের তাহের মিয়ার ছেলে ও শশীভূষণ বাজারের মেডেসিন ব্যবসায়ী বলে জানা গেছে।
চরফ্যাসন হাসপাতালে চিকিৎিসাধীন মা আঞ্জুরা বেগম জানান, তার স্বামী হেলথ ইন্সপেক্টর ছিলেন। অবসরের পর ২০২৪ সনে তার স্বামী হঠাৎ স্ট্রোক করে মারা যান। তার পূর্বের স্ত্রীর ঘরে সুজন ও সুমি নামে দুই সন্তান রয়েছে। তার সংসারে তিন মেয়ে রয়েছে। তার স্বামী মৃত্যুর পর। তার প্রথম পক্ষে পুত্র সুজন ও তার স্ত্রী তাদের ঘরে থাকা তার স্বামী জমির সকল জমির কাগজ পত্র জোর করে নিয়ে যান। স্বামী মৃত্যুর দেড় বছর পর প্রথম পক্ষে স্ত্রী ছেলে সুজন জানান তার বাবা মৃত্যুর আগে তাকে মূল্যবান জমি থেকে ৭২ শতাংশ জমি লিখে দিয়ে গেছেন। পরে তার ওই দলিল দেখেতে চাইলে একটি সে দেখাতে রাজি হননি।
পরে তিনি স্থানীয় গন্য মান্যদের বিষয়টি জানান তারা একাধিক বার শালিশ করেন। এতে সুজন শালিশ উপেক্ষা করে আমাদেরকে বসত বাড়ি থেকে উচ্ছেদের চেষ্টা চালিয়ে যান। এবং আমাদের বিরুদ্ধে একটি উৎখাতের মামলা দায়ের করেন। পরে আমরা ওই দলিলটি জালিয়াতি করা বুঝতে পেয়ে দলিলটি বাতিল চেয়ে চরফ্যাসন সিনিয়র সহাকারী জুডিশিয়াল ম্যাজিট্রেড আলাদতে প্রতারনা ও জালিয়াতির একটি মামলা দায়ের করি।
বিজ্ঞ আদালত ওই মামলাটি সিআইডিকে তদন্ত দেন। পরে আমারা নিরোপায় হয়ে চরফ্যাসন সহকারী জজ আদালতে মৃত স্বামী ওয়ারিশ হিসেবে জমির বন্টন চেয়ে একটা মামলা দায়ের করি উভয় পক্ষের মামলা আদালতে চলমান রয়েছে। মামলা চলমান থাকলেও থেকে থাকেনি সৎ ছেলে সুজন ও স্ত্রীসহ তাদের বহিরাগত দলবল। তারা আমাদেরকে বাড়ি তেকে উচ্ছেদের জন্য প্রায় সময় হুমকি ধামকি দিয়ে আসছিলেন। বৃহস্পতিবার উঠান ঝাড়ু দেয়ার মতো তুচ্ছ ঘটানাকে কেন্দ্র করে আমার মাথায় লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ফাটিয়ে দিয়ে গুরুতর জখম করে। আমাকে উদ্ধারে আমার দুই মেয়ে এগিয়ে এলে তাদেরকে এলোপাতারি মারধর করে পুকুরের পানিতে চুবিয়ে হত্যার চেষ্টার করেন। ইতি পূর্বেও ওই চক্রের নির্মমতার শিকার হয়েছেন তিনি এবং তার মেয়েরা। এঘটনায় তিনি প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপের দাবী জানান।
অভিযুক্ত ছেলে ব্যবসায়ী সুজনের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য জানাযায়নি।
শশীভূষণ থানার ওসি মো. ফখরুল ইসরাম জানান, ভূক্তভোগী নারীর একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগটি খতিয়ে দেখে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।








পাঠকের মন্তব্য